Marine Engineering

Marine Engineering

Head of The Department: Engr. Sazidul Ahmed
Category: diploma Program

Course Description

মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি:
ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার একটি বিশেষ টেকনোলজি হল মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি। এই টেকনোলজিতে একজন শিক্ষার্থী সামুদ্রিক জাহাজ, ডক ও স্থল ভিত্তিক ইঞ্জিন , নেভিগেশন, জাহাজ ডিজাইন এবং নির্মাণ, মেশিন ডিজাইন, টুলস ম্যাকানিজম পরিচালনাসহ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশদ জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হয়।

ক্যারিয়ার:
বর্তমান সময়ে যত ধরনের ক্যারিয়ার রয়েছে তার মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এগিয়ে রয়েছে চাহিদায়। এই পেশায় যেমন রয়েছে অর্থ প্রাপ্তির সুযোগ, তেমনি রয়েছে দেশ বিদেশ ঘুরার সুযোগ। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জিং এবং অর্থনেতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি পেশা। এই পেশাতে সরকারী বেসরকারী, দেশি বিদেশীসহ সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক পতাকাবহনকারী জাহাজের ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে অল্প সময়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের অর্থনেতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। একজন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারের একই সঙ্গে জল এবং স্থল দুটি সেক্টরেই কর্মদক্ষতার সুযোগ রয়েছে। বর্তমান উন্নত বিশ্বে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার পদবীকে একটি সম্মানজনক পদ হিসেবে অভিহিত করা হয়। একজন ডিপ্লোমা মেরিন ইঞ্জিনিয়ার স্বল্প সময়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত নাবিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে।

ভালো আয়ের নিশ্চয়তা দেয় এমন পেশাগুলোর মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং অন্যতম। এর বিশেষ কারণও রয়েছে, বিশ^ বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ পণ্যই পরিবাহিত হয় শিপিং ইন্ডাস্ট্রি দ্বারা। বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক আয়ের প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার আসে ৫০,০০০ মার্চেন্ট শিপ থেকে। বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশের ওয়ার্ল্ড ফিড নিয়ন্ত্রিত প্রায় তেরো লাখ সিফেয়ারারস সারা বিশ্বে শিপিংয়ে কর্তব্যরত, যার বেশিরভাগ সিনিয়র কর্মকর্তাই উন্নত দেশগুলোর। তবে ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তা এবং বেশিরভাগ রেটিং তাদের দখলে। উল্লেখ্য, বর্তমানে আন্তর্জাতিক জাহাজ শিল্পে ১ লাখ মেরিন কর্মকর্তা ও ৫ লাখ নাবিকের তীব্র সংকট রয়েছে। এই সংকট নিরসনের জন্য বাংলাদেশে মেরিনারদের ব্যাপক চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে মেরিন ডিপ্লোমা গ্রাজুয়েটদের ক্ষেত্র সমূহ

সরকারী কর্মক্ষেত্র সমূহ:
একজন মেরিন ডিপ্লোমা গ্রাজুয়েটের সরকারী বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। নৌ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কতৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, মৎস অধিদপ্তর, তেল-গ্যাস- খনিজ অধিদপ্তর, মংলা বন্দর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্ঠান। সরকারী মেরিন ইন্সটিটিউট, সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটগুলোতে ইন্সট্রাক্টর পদে শিক্ষকতা করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সরাসরি কমিশন্ড অফিসার পদে যোগদানের সুযোগ রয়েছে। স্বায়ত্ত¡শাসিত আধাসরকারী প্রতিষ্ঠান যেমন- পেট্রোবাংলা, তিতাস গ্যাস, ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানী (ডেসকো), বিভিন্ন স্বায়ত্ত¡শাসিত পাওয়ার প্ল্যান্টসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ রয়েছে।

বেসরকারী কর্মক্ষেত্র সমূহ:
একজন মেরিন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার নিজেকে যে সকল বেসরকারী কর্মক্ষেত্রে জড়িত করতে পারে সেগুলো হচ্ছে পাওয়ার প্ল্যান্ট, ডিজেল ও গ্যাস ইঞ্জিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স, বিভিন্ন বেসরকারী জাহাজ, শিপইয়ার্ড, ডকইয়ার্ড, এবং বিভিন্ন ইঞ্জিন ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি, লুব ওয়েল কোম্পানিগুলোতে প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতে পারে। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ডিপ্লোমা করার পর বিদেশে বৃত্তিসহ উচ্চ শিক্ষা ও চাকরির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।

Md. Atiqun Nasir Seami

Lecturer, Course Coordinator Of Marine & Shipbuilding Technology

View Profile

Md. Al-Amin

Instructor Of Marine & Shipbuilding Technology

View Profile