Ceramic

Ceramic

Head of The Department: Engr. Sazidul Ahmed
Category: diploma Program

Course Description

বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় তাত্ত্বিক বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনায় পছন্দের চাকরি পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। পছন্দের বিষয়ে গ্রাজুয়েশন শেষ করেও মিলছে না পছন্দের কর্মক্ষেত্র। যার ফলে বেকার সমস্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে পৃথিবীর সব দেশেই কারিগরি শিক্ষাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়। উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে বাংলাদেশও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আমাদের দেশে রয়েছে অনেক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসএসসি পাসের পর এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। দেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর এমন টেকনোলজি বেছে নিতে হবে, যাতে উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যৎ পেশাজীবন। ঠিক তেমনই একটি যুগোপযোগী টেকনোলজি হচ্ছে সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিং। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে হাতেগোনা যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়ে ০৪ বছরের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ রয়েছে, তার মধ্যে ইনস্টিটি…… অন্যতম।

আমাদের দেশের সিরামিকশিল্প দেশের অর্থনীতিতে এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাই পালন করছে। গত কয়েক বছরে এই শিল্পে এক কথায় বিপ্লব ঘটেছে। বর্তমানে আমাদের দেশে ছোট-বড় সব মিলিয়ে শ দুয়েক সিরামিক পণ্য উৎপাদন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশি সিরামিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের দেশের চাহিদা পূরণ করছে প্রায় শতভাগ। এ ছাড়া অতিসম্প্রতি বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত পণ্য ইউরোপ, আমেরিকাসহ এশিয়া মহাদেশের কয়েকটি দেশে রপ্তানি করে চলছে। এভাবে বাংলাদেশের সিরামিকশিল্প প্রতিনিয়ত ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন হয়ে উঠছে বিভিন্ন দেশে। সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও কাঁচামাল সস্তা হওয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও এই শিল্পে বিনিয়োগ করতে উৎসাহ বোধ করছে। তাই একদিকে পণ্যের ব্যাপক চাহিদাবৃদ্ধি, অন্যদিকে বিনিয়োগ বাড়ায় এই শিল্পে বেড়েছে দক্ষ সিরামিক প্রকৌশলীর। তাই যাঁরা সিরামিকের ওপর পড়াশোনা করে বের হচ্ছেন, তাঁদের জন্য নিশ্চিত পেশা হয়ে আছে এই শিল্পে। বাংলাদেশে চাকরির বাজারে সিরামিক প্রকৌশলীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে । আইএসটিটি থেকে যারা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (সিরামিক) পড়ে বের হচ্ছে, তাদের প্রায় সবাই শিক্ষানবিশ সময়েই চাকরি পেয়ে যাচ্ছে।’ সিরামিক প্রকৌশলীরা মূলত চাকরি শুরু করে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বা উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে। তবে চাকরির অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে প্রমোশন পেয়ে তাঁরা কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক পর্যন্ত হতে পারেন ।

সিরামিক প্রকৌশলীদের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশে এ বিষয়ে শিক্ষালাভের সুযোগ তেমন বিস্তার লাভ করেনি। ডিপ্লোমা পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম হওয়ায় সিরামিকশিল্পগুলো তাদের চাহিদামতো দক্ষ মানবসম্পদ পাচ্ছে না, বিধায় সকল সিরামিক শিল্পে এই টেকনোলজিতে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের চাহিদা ব্যাপক।

Engr. Sazidul Ahmed

Assistant Professor & Head of the Department

View Profile

Md. Atiqun Nasir Seami

Lecturer, Course Coordinator Of Marine & Shipbuilding Technology

View Profile

Md. Al-Amin

Instructor Of Marine & Shipbuilding Technology

View Profile