Auto Mobile Engineering

Auto Mobile Engineering

Head of The Department: Will be provided soon
Category: diploma Program

Course Description

অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং
প্রতিযোগীতার এই যুগে সঠিক ক্যারিয়ার গড়তে প্রয়োজন পরিকল্পিত ও কর্মমূখী শিক্ষা এবং সঠিক দিক নির্দেশনা। ক্যারিয়ার গঠনে এমন একটি বিষয় হলো অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। বর্তমানে বিকাশমান অটোমোবাইল শিল্পের বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে প্রচুর দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন। আপনিও ইচ্ছা করলে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করে একজন দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করতে পারেন। অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা আজকের এই ফিচারে।

কাজের ধরন:
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ রয়েছে-উৎপাদন, সেলস এবং সার্ভিসিং। উৎপাদন ক্ষেত্রের কজে আবার কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমন- ডিজাইন, ড্রয়িং ও ক্যালকুলেশন। কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত এসব কাজ করে থাকেন। সেলস বিভাগে গাড়ি বিপণন, বিক্রয় ও বিতরণের কাজ করা হয়ে থাকে। এই বিভাগে ভালো করতেও কারিগরি জ্ঞান খুব ভালো থাকতে হয়। গ্রাহকের চাহিদা বুঝে সেই অনুযায়ী গাড়ি বাছাই করে তার ইঞ্জিন ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক তথ্য গ্রাহককে অবহিত করার দায়িত্ব এই বিভাগের জনবলের । অন্যদিকে সার্ভিসিং বলতে মূলত ওয়ারেন্টি বা সার্ভিস ফির মাধ্যমে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মেরামত ও সার্ভিসিং করার কাজকে বুঝানো হয়।

কাজের ক্ষেত্র:
অটোমোবাইল শিল্পে কাজের ক্ষেত্র এখন বিস্তৃত। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে যেভাবে ইঞ্জিনের ব্যবহার বাড়ছে, তাতে দক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির চাহিদাও বাড়ছে। বর্তমানে আমাদের দেশে ২৫টির ও বেশি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানি করছে। এবং এই শিল্পকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। আমাদের দেশে গাড়ি উৎপাদনের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের দেশে কার সার্ভিস সেন্টারের তুলনায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা বেশ কম। তাই এই সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগও অনেক বেশি। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে তাই সাধারণত চাকরির জন্য বশে থাকতে হয় না।

যারা পরিবহন প্রতিষ্ঠানের ব্যাবসা করেন তাদেরও অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন হয়। এছাড়া বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের গাড়ি রক্ষনাবেক্সনের দায়িত্ব পালনের জন্য অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করে থাকেন। গাড়ি বিক্রির দোকানেও রয়েছে কাজের সুযোগ। আমদানি করা নতুন গাড়ি কিংবা রি-কন্ডিশন গাড়ির ত্রæটি সারতে কাজ করেন তারা। তাছাড়াও এ বিষয়ে পড়ালেখা করে বিদেশে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও আছে। বিদেশে গাড়ির কারখানা থেকে শুরু করে গাড়ি মেরামতের গ্যারেজে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

আয় রোজগার:
সদ্য পাশ করা অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষানবিশ ইঞ্জিনিয়ারের পদে যোগ দিয়ে প্রতিষ্ঠান ভেদে ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। একজন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন সাধারণত ৪০-৫০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। এছাড়া গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানীতে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন এক লাখ টাকার বেশিও হতে পারে। মূলত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে বেতন কাঠামো। অটোমোবইল ইঞ্জিনিয়ারদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগও রয়েছে। এই বিষয়ে পড়ালেখা করে নিজ উদ্যোগে গ্যারেজও প্রতিষ্ঠা করা যায়। সেক্ষেত্রে সব খরচ মিটিয়ে স্থানভেদে মাসো ৫০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। আর দেশের বাইরে কাজের সুযোগ তো রয়েছেই।

নিজস্ব সার্ভিসিং সেন্টার :
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়াররা চাইলে নিজেরাই প্রতিষ্ঠা করতে পারেন একটি কার সার্ভিস সেন্টার। এজন্য প্রাথমিকভাবে ১০-২৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ পুজি সংগ্রহ করতে পারবেন বানিজ্যিক ব্যাংক থেকেও। প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরন করতে পারলে এ খাতে দেশের প্রায় সব সরকারি- বেসরকারি বানিজ্যিক ব্যাংক লোন প্রদান করে।

পড়ালেখা:
আমাদের দেশে বেশকিছু সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে-যেখানে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে। আজকাল মেয়েরাও

এই বিষয়ে পড়াশোনা করছে। চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স করতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে নূন্যতম এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

Md. Shariful Islam Khan

Lecturer & Course Coordinetor

View Profile

Md. Abdul Momin

Instructor in Mechanical and Automobile Department

View Profile

Uzzal Chandra Das

Instructor, Mechanical and automobile

View Profile