1. home
  2. course
  3. Details

Ship Building Engineering

Explore Our Alumnies

Description

Course Description

 

শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি বিশেষ শাখা। সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত তৈরি হয়েছে শিপ-বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং কে ঘিরে।বর্তমানে দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২০০টির মতো জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানরয়েছে। এর মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান তো বিদেশেও আন্তর্জাতিক মানের জাহাজরফতানি করছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় পর্যায়ে বাজার বাড়ায় দেশের জাহাজনির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শিপ-বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ার খুঁজতেহচ্ছে। ফলে জাহাজশিল্পে দিন দিন কাজের সুযোগ বাড়ছে। শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং নৌস্থাপত্য ও নৌ প্রকৌশল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে গঠিত।জলযান বা জাহাজের স্ট্রাকচার, নতুন ডিজাইন ও ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট, নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কাজগুলোইহচ্ছে শিপ-বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ।গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী একজন নেভাল আর্কিটেক্ট জাহাজের ডিজাইন তৈরি করেন।শিপ বিল্ডিংয়ের কাজকে সাত ভাগে ভাগ করা যায়।যেমনঃ

● ডিজাইন
● কনস্ট্রাকশন
● প্ল্যানিং
● ওয়ার্কপ্রিয়র টু কিল লায়িং শিপ ইরেকশন
● লঞ্চিং
● ফাইনাল আউটফিটিং
● সি-ট্রায়ার

এই সাতটি ধাপেই কিন্তু জাহাজের ডিজাইন ইভালুয়েশন ও ক্যালকুলেশন, কনভারশনরিভল্ডিং, মডার্নাইজেশন, জাহাজ রিপেয়ারিং ও শিপবিল্ডিংয়ের আওতাভুক্ত।পুরো কাজটি করতে হয় নিখুঁত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে। কারণ, গ্রাহকেরাআন্তর্জাতিক জাহাজ নির্মাণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে গুণগতমাননিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। সে জন্য জাহাজটিতে কী ধরনের মালামাল বহনহবে, কোন নৌপথে চলবে ও কোন মৌসুমে চলবে ইত্যাদি বিষয় মাথায় রেখেই জাহাজ তৈরি করতে হয়। জাহাজ নির্মাণ শিল্পে শিপ-বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারের পাশাপাশিসহকারী প্রকৌশলী, সুপারভাইজার ও মান নিয়ন্ত্রক কর্মকতা হিসেবেও কাজ করারসুযোগ আছে।

জাহাজ নির্মাণ শিল্প ও ক্যারিয়ারঃ
জাহাজ নির্মাণ বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় এবং ক্রমবিকাশমান শিল্প। আধুনিকযুগের শুরু থেকে বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণের একটি দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেওস্থানীয়ভাবে তৈরি জাহাজ রফতানি করার মাধ্যমেই মূলত সাম্প্রতিক বছরগুলোতেজাহাজ নির্মাণ একটি প্রধান প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের২০০শ’র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ থেকে জাহাজরফতানি শুরু হয় ২০০৮ সালে। ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে এমভি স্টেলামরিস নামের ছোট আকারের একটি জাহাজ রফতানি করে। এর পরেই যুক্ত হয়চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। এদুটি প্রতিষ্ঠান যখন জাহাজ রফতানিতে যুক্ত হয়, তখন জাহাজ নির্মাণেরবিশ্ববাজার ছিল চাঙ্গা। রফতানির বাজার ধরতে তখন এগিয়ে আসে দেশীয় আরও কয়েকটিপ্রতিষ্ঠান। শুধু ২০০৮ সালে ৫০টি জাহাজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পায় দেশীয়প্রতিষ্ঠানগুলো।আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের নির্মিত জাহাজ নির্মাণ ব্যয় সর্ববৃহত্ জাহাজ নির্মাণকারী দেশ চীনের তুলনায় ১৫% কম এবং বিশ্বে সর্ব নিম্ন।শ্রমিকের সহজ লভ্যতা, স্বল্প মজুরি, বাংলাদেশের নদী বিস্তৃত ভৌগোলিক সুবিধা, দক্ষ ও পরিশ্রমী জনশক্তির ফলে কম খরচে ভাল মানের জাহাজ কেনার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রেতারাঝুঁকছে বাংলাদেশের দিকে।তাই বর্তমানেবাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিকভাবে পৃথিবীরবিভিন্ন দেশ থেকে জাহাজ নির্মাণের ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছে। এ পর্যন্ত২৫০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাহাজনির্মাণের জন্য ৪০০ বিলিয়ন ডলারের চাহিদা রয়েছে। দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পযেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের রপ্তানি পণ্য তালিকায় গার্মেন্টস শিল্পেরপর জাহাজ নির্মাণ শিল্পের স্থান হবে।পৃথিবীরবৃহত্ জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হিসাবে বাংলাদেশের নাম আন্তর্জাতিক পর্যায়েউঠে এসেছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ব্যাপারে সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা পেলেএই শিল্প আরো এগিয়ে যাবে। বর্তমানে এই শিল্পে হাজার হাজার লোক কর্মরত আছেন।দিন দিন এই শিল্পে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। এই শিল্পের জন্য দক্ষজনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে অর্থমন্ত্রণালয়আগামী ৩ বছরে ১০ হাজার বেকার তরুণ যুবককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। জাহাজনির্মাণ শিল্প মালিক সমিতি এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই কর্মসূচিরমাধ্যমে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হবে এবং এই শিল্পেরমানও আরো বেড়ে যাবে। আমাদের দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্প যেভাবে এগিয়েযাচ্ছে তাতে আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।সম্প্রতি জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থা আন্তর্জাতিক নৌ-সংস্থা আইএমও’র জারিকৃতআইএসপিএস কোডের কারণে ২৫ বছরের বেশি পুরনো জাহাজগুলো আগামী বছর থেকে চলাচলকরতে পারবে না। আইএমও’র এ নির্দেশনার কারণে কেবল ইউরোপীয় দেশগগুলোকেইকিছুদিনের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার নতুন জাহাজ বাদ দিতে হবে এবং এর স্থলে নতুনজাহাজ যোগ করতে হবে। আর এ জাহাজ নির্মাণে বাংলাদেশই হতে পারে অন্যতমবিকল্প। কারণ বিশ্বের অন্যতম জাহাজ নির্মাণকারী দেশ চীন, ভিয়েতনাম, ভারতেরসব ক’টি শিপইয়ার্ড আগামী ৫ বছরের জন্য বুকড হয়ে আছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিলে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে বলেআশা করা যায়। তাই শিপবিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং একটি চাহিদা সম্পন্ন সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার।

Certification

Consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt labore dolore msagna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullaasmco laboris nisi uiat aliquip ex ea commodo consequat.

  • Lecture 1.1: 30 min

    Introduction

  • Lecture 1.2: 25 min

    Consectetur Adipisicing Elitsed

  • Lecture 1.3: 10 min

    Eiusmod Tempor Incididunt ut Labore Dolore

  • Lecture 1.4: 30 min

    Magna Aliqua Enim ad Minim Veniam Quis Nostrud

  • Lecture 1.5: 35 min

    Exercitation Ullamco Laboris Nisi ut Aliquip Commodo

  • Lecture 1.6: 20 min

    Consequat Duis Aute Irure Dolor Reprehenderit

  • Lecture 1.7: 30 min

    Velit Esse Cillum Dolore eu Fugiat

  • Lecture 1.8: 25 min

    Nulla Pariatur Excepteur

  • Lecture 1.9: 06 questions

    Occaecat Cupidatat Proident